বাণিজ্যযুদ্ধ প্রশমনে প্রথম পর্যায়ের চুক্তি সইয়ে সম্মত হয়েছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। এর জের ধরেই প্রায় বন্ধ হয়ে আসা দুই দেশের সয়াবিন বাণিজ্য চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। নভেম্বরে চীনের ব্যবসায়ীরা ২৫ লাখ ৬০ হাজার টন মার্কিন সয়াবিন আমদানি করেছেন। এর আগের মাসেও তেলবীজটির আমদানি ঊর্ধ্বমুখী ছিল। খবর রয়টার্স।
অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১১ লাখ ৪৭ হাজার টন সয়াবিন আমদানি করে চীন। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে দেশটি মার্কিন সয়াবিনের আমদানি বাড়িয়েছে ১৪ লাখ ১৩ হাজার টন।
পণ্যটির ওপর মার্কিন প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্ক আরোপ ঘোষণার পর ২০১৮ সালের নভেম্বরে আমদানি বন্ধ করে দেয় চীন। মাঝে পণ্যটির লেনদেন কিছুটা বাড়লেও তা যথেষ্ট পর্যায়ের পৌঁছতে পারেনি। তবে দুই দেশের অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি সইয়ের আভাসে দুই মাস ধরে তেলবীজটির আমদানি বাড়িয়েছে দেশটি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ানোর জেরে ব্রাজিল থেকে চীনের সয়াবিন আমদানি গত বছরের তুলনায় কমেছে। নভেম্বরে মোট ৩৮ লাখ ৬০ হাজার টন ব্রাজিলের সয়াবিন আমদানি করেছে দেশটি, যা আগের বছরের তুলনায় ২৪ শতাংশ কম। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধ শুরুর পর দেশটির সয়াবিন বাণিজ্যের প্রধান বাজার হয়ে ওঠে ব্রাজিল। আগের বছরের নভেম্বরে ব্রাজিল থেকে ৫০ লাখ ৭০ হাজার টন সয়াবিন আমদানি করে দেশটি। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে চীন ব্রাজিলের সয়াবিন ক্রয় কমিয়েছে ১২ লাখ ১০ হাজার টন।
তবে সেপ্টেম্বরের তুলনায় এ মাসে ব্রাজিল থেকে চীনের আমদানি কিছুটা বেড়েছে। কারণ গত নভেম্বরে দেশটি থেকে চীনের আমদানির পরিমাণ ছিল ৩৭ লাখ ৯৩ হাজার টন। আগামী বসন্ত উৎসবের ছুটিকে কেন্দ্র করে সয়াবিনের মজুদ বাড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় দেশটিতে মাংস ও তেলের সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে।









