২০২২-২৩ মৌসুমে ব্রাজিলের চিনি উৎপাদন খুব বেশি বাড়ার সম্ভাবনা দেখছেন না বিশ্লেষকরা। দেশটিতে এবার বিপুল পরিমাণ আখ উৎপাদন হলেও তা থেকে চিনি উৎপাদন বাড়ানোয় আগ্রহ নেই মিল মালিকদের মধ্যে। বিপরীতে অধিক লাভজনক হওয়ায় আখ থেকে ইথানল উৎপাদন বাড়াচ্ছে তারা। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিনিয়োগ ব্যাংক ইতাও বিবিএ।

তথ্য বলছে, এ বছরের এপ্রিলে ব্রাজিলে চিনি উৎপাদনের নতুন মৌসুম শুরু হয়েছে। চলবে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত। এ মৌসুমে চিনি উৎপাদন আগের মৌসুমের তুলনায় মাত্র দুই লাখ টন বাড়বে।

ব্যাংকটির কৃষি গবেষণা বিভাগ জানায়, ২০২২-২৩ মৌসুমে ব্রাজিলে চিনি উৎপাদন দাঁড়াবে ৩ কোটি ২২ লাখ টনে। এর আগের মৌসুমে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৩ কোটি ২০ লাখ টন।

গত মৌসুমে দেশটিতে ভয়াবহ খরার কারণে আখের আবাদ ব্যাহত হয়। ফলে ওই সময় আখ উৎপাদন কমে ৫২ কোটি ৩০ লাখ টনে নেমে যায়। এ মৌসুমে উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৫৫ কোটি ৫০ লাখ টনে।

ইতাও বিবিএ মনে করছে, এবার মিলগুলো আখ থেকে চিনি উৎপাদন কমিয়ে আনবে। এর পরিবর্তে আখ থেকে ইথানল উৎপাদন বাড়ানো হবে। মূলত জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে অধিক লাভের আশায় আখ থেকে জৈব জ্বালানি উৎপাদনে ঝুঁকছে মিলগুলো।