২০৩০ সালের মধ্যে কোবাল্টের বৈশ্বিক চাহিদা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়তে পারে। চাহিদার পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ লাখ ৮৮ হাজার টনে। মূলত বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদন বাড়ায় ব্যাটারি তৈরিতে ধাতুটির চাহিদায় এমন উল্লম্ফনের সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা। বেঞ্চমার্ক মিনারেল ইন্টেলিজেন্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তুরস্কভিত্তিক কোবাল্ট ইনস্টিটিউটটি জানায়, আগামী বছরগুলোয় কোবাল্টের বাজারে বেশ ভালো প্রবৃদ্ধি আসবে বলে আশাবাদী শিল্প খাত। সুপার অ্যালয় ও কঠিন ধাতু হিসেবে ধাতুটির ব্যবহার বিশেষ করে বৈদ্যুতিক গাড়িতে ব্যবহার চাহিদায় এমন উল্লম্ফনে প্রধান ভূমিকা পালন করবে।

বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারির নিরাপত্তা, পারফরম্যান্স ও টেকসই হওয়ার জন্য কোবাল্টের ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। এটিই ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার ব্যবহারকারীদের কাছে ধাতুটিকে জনপ্রিয় করে তুলছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ২০৩০ সাল নাগাদ মোট চাহিদার ৮৯ শতাংশই আসবে বৈদ্যুতিক গাড়ি খাত থেকে, যা ২০২২ সালের তুলনায় ৪০ শতাংশ বেশি। এছাড়া জ্বালানি খাত থেকে চাহিদা আসবে ৩ শতাংশ এবং সুপার অ্যালয় থেকে ২ শতাংশ।

বেঞ্চমার্ক মিনারেল ইন্টেলিজেন্স বলছে, বিপুল পরিমাণ এ চাহিদায় সাড়া দিতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত সরবরাহ। আর চলতি বছর ধাতুটির প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়াবে দুই লাখ টনে। ২০৩০ সাল নাগাদ তা ৩ লাখ ১৮ হাজার টনে উন্নীত হতে পারে। এর অর্থ ততদিন পর্যাপ্ত বাজার বড় ধরনের ঘাটতিতে পতিত হবে।

প্রাইমারি কোবাল্টের উৎস হিসেবে বিশ্বের শীর্ষ দেশ কঙ্গো। ২০২২ সালে দেশটির খনিগুলো থেকে যে পরিমাণ কোবাল্ট উত্তোলন করা হয়েছে তা বৈশ্বিক উত্তোলনের ৭৩ শতাংশ। তবে ২০৩০ সাল নাগাদ এ হিস্যা ৫৭ শতাংশে নেমে যেতে পারে।