ভারতের মুম্বাইয়ে আবাসিক সম্পত্তির বিক্রি বেড়েছে। গত বছর যে পরিমাণ আবাসিক সম্পত্তি বেচাকেনা হয়েছে তা পাঁচ বছরে সর্বোচ্চ। আবাসন খাতভিত্তিক বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান প্রপইক্যুইটির তথ্যানুযায়ী, ২০২২ সালে ৫১ হাজার ৩৯০টি বাড়ি বিক্রি হয়েছে, যা ২০২১ সালের চেয়ে ৩৭ শতাংশ বেশি। খবর বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই) বেঞ্চমার্ক সুদের হার বাড়িয়েছে। সেই সঙ্গে রেপো রেট বাড়ানো হয়েছে ২৫০ বেসিস পয়েন্ট। যার কারণে হোম লোন আরো বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। তবে সেটি মুম্বাইয়ের বাড়ি বিক্রির বাজারে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, মুম্বাইয়ের পশ্চিমাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বাড়ি বা আবাসিক সম্পত্তি বিক্রি হয়েছে। রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান ইনফ্রামন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক শিওয়াং সুরাজ বলেন, ‘‌বাড়ি বিক্রির পরিমাণ বৃদ্ধির এ পরিসংখ্যান ক্রেতাদের ক্রমবর্ধমান আস্থার কথা প্রকাশ করে। পাশাপাশি মুম্বাই যে আবাসন খাতে বিনিয়োগের একটি প্রধান গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে, সেটিও প্রমাণ করে।’

মুম্বাইয়ের মধ্যভাগের বাড়ির দিকে বেশি ঝুঁকছেন ক্রেতারা। এ অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বাড়ি বিক্রির রেকর্ড করা হয়েছে। এসব বাড়ি বিক্রি হয়েছে ১-২ কোটি রুপির মধ্যে। মোট বিক্রীত বাড়ির মধ্যে সুলভ বা সাশ্রয়ী মূল্যের বাড়ির অংশ ছিল ২৭ শতাংশ। এছাড়া বিলাসবহুল বাড়ি বিক্রি হয়েছে ২৮ শতাংশ।

পাশাপাশি মুম্বাইয়ে নতুন বাড়ি বা ফ্ল্যাট তৈরির পরিমাণও বাড়ছে। নতুন ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে মুম্বাইয়ের মধ্যঞ্চল এগিয়ে। প্রপইক্যুইটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামির জাসুজা বলেন, ‘‌এই শহরের রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলো গ্রাহকের জন্য নতুন নতুন অফার নিয়ে আসছে। সামনের দিনে এ বাজার আরো উন্নত হবে। মুম্বাইয়ের সম্পত্তির বাজারের জন্য নতুন মানদণ্ড নির্ধারণ করতে হবে। এ পরিস্থিতি কেবল মুম্বাইয়ের জন্য নয়, গোটা দেশের খাতটির জন্যই ইতিবাচক।’