চীনের পরিষেবা খাতের কার্যক্রম নিম্নমুখী রয়েছে। এ নিয়ে মে মাসে টানা তৃতীয় মাসের মতো এ খাতে সংকোচন ঘটেছে। পরিষেবা খাতের এ সংকোচন অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ধীরগতিই প্রমাণ করে। কেননা এরই মধ্যে সাংহাইসহ আশপাশের শহরগুলোয় কভিডসংক্রান্ত বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হয়েছে। এর পরও পরিষেবা খাতে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি বলে সম্প্রতি এক জরিপে উঠে এসেছে। খবর রয়টার্স।
দ্য কাইশিন সার্ভিস পারচেজিং ম্যানেজারস ইনডেক্স (পিএমআই) এপ্রিলে ছিল ৩৬ দশমিক ২, যা কিছুটা বেড়ে মে মাসে হয় ৪১ দশমিক ৪। মূলত এ পরিমাণ বৃদ্ধির কারণ হলো সাংহাইসহ অন্য অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোয় কভিড বিধিনিষেধ শিথিল করে দেয়া। কিন্তু এখনো ৫০-এর ঘর পেরোতে পারেনি এ খাতের পিএমআই। এ সূচক ৫০ পয়েন্টের নিচে সংকোচনকে নির্দেশ করে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিষেবা খাতের দুর্বলতা হলো সরকারের নেয়া শূন্য কভিড নীতিমালা। অথচ চীনের অর্থনীতির ৬০ শতাংশই এ খাতের। নগরকেন্দ্রিক যে চাকরিগুলো রয়েছে তার প্রায় অর্ধেকই পরিষেবা খাতের। সরকারের কঠোর নীতির কারণে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে।
কাইশিন জরিপ বলছে, নতুন ব্যবসা বিশেষ করে রফতানি আদেশের নিম্নমুখী ভাব দেখা গেছে চতুর্থ মাসের মতো। মে মাসেও সরকারের নিষেধাজ্ঞার কারণে বেশির ভাগ ক্রেতা বাড়ি থেকে বের হতে পারেননি। ফলে পরিষেবা খাতের কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।
এর প্রভাব পড়ে চাকরির বাজারে, বেড়ে যায় বেকারত্বের হার। মহামারীর প্রভাব শ্রমবাজারে বেশ ভালোভাবেই আঘাত হানে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে কর্মী নিয়োগ দেয়নি।










