দক্ষিণ কোরিয়ার ‘ব্যাংক অব কোরিয়া’ তাদের নীতি সুদহার ৩ দশমিক ৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির পর থেকে টানা পঞ্চমবারের মতো এ হার ধরে রেখেছে দেশটি। খবর দ্য কোরিয়া হেরাল্ড।
সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সূচকে দেখা গেছে, গত বছর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দরপতন ঘটে, ভিত্তি সাল বিবেচনায় তা কোরিয়ার মূল্যস্ফীতি সূচককে প্রভাবিত করতে পারে। তাছাড়া সম্প্রতি তেলের দামও বেড়েছে। যেহেতু জ্বালানি তেলের জন্য কোরিয়া ব্যাপকভাবে আমদানির ওপর নির্ভরশীল, তা মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি করতে পারে।
চীনা মূল্যসংকোচন ও আবাসন খাতের বিদ্যমান ঝুঁকিগুলোও দেশটির অর্থনীতিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। সিউল আশা করেছিল, নিজেদের ব্যবসায়িক বড় অংশীদার চীনের সঙ্গে ২০২৩ সালের দ্বিতীয়ার্ধে তারাও অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করতে পারবে। যদিও চীনের এ ঝুঁকি সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন ডলারকে শক্তিশালী করেছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বিনিময় বাজারে দুর্বল হয়েছে কোরিয়ান মুদ্রা ওন।
ভিত্তি হার বজায় রেখে কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নীতি সুদহারের ব্যবধান ২ শতাংশীয় পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। পরবর্তী সভায় মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ যদি সুদহার ৫ দশমিক ২৫ থেকে ৫ দশমিক ৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখে, তাহলে আরো কিছু সময়ের জন্য ব্যবধান ২ শতাংশীয় পয়েন্টেই থাকবে।
প্রসঙ্গত, ব্যাংক অব কোরিয়ার পরবর্তী সুদহার নির্ধারণী সভা আগামী ১৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। আর ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির (এফওএমসি) সভা হবে ১৯-২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।










