অর্থনৈতিক দৈন্যদশার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। ব্যালেন্স-অব-পেমেন্ট সংকটে ভুগছে দেশটির ৩ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের অর্থনীতি। গত বছরের তুলনায় এ বছরের জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্রান্তিকালীন তহবিল সংগ্রহের জন্য আইএমএফ প্রদত্ত সব শর্তে একমত হয়েছে পাকিস্তান। ফলে এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১ হাজার ১০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে দেশটির। শুক্রবার পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ইসহাক দার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ঋণ গ্রহণের ব্যাপারে পাকিস্তানের সঙ্গে আইএমএফের ১০ দিনব্যাপী আলোচনার পর বৃহস্পতিবার আইএমএফ মিশন ইসলামাবাদ ত্যাগ করে। দীর্ঘ আলোচনায় পাকিস্তানের ডুবন্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার কল্পে ঋণ প্রদানের সিদ্ধান্তটি বিবেচনা করে আইএমএফ।










