২০২২ সালে জাপানের মৎস্য আহরণ এক বছর আগের তুলনায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৩৮ লাখ ৫০ হাজার টনে নেমেছে। যা জাপানের ইতিহাসে রেকর্ড সর্বনিম্ন মৎস্য আহরণ। সম্প্রতি প্রকাশিত সরকারি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর কিয়োদো এজেন্সি। 

জাপানের কৃষি, বন ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ১৯৫৬ সালের পর থেকে মৎস্য আহরণের উল্লিখিত হার সর্বনিম্ন। যা টানা দ্বিতীয় বছর হ্রাস পায়। এর মধ্যে খামারে উৎপাদিত মাছও অন্তর্ভুক্ত। 

মৎস্য আহরণসংক্রান্ত বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে দীর্ঘমেয়াদে মৎস্য আহরণের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আগের বছরের তুলনায় সৌরি জাতীয় মৎস্য আহরণ ৫ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ১৮ হাজার ৪০০ টন, জাপানি ফ্লাইং স্কুইড ৮ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ২৯ হাজার ৭০০ টন এবং অক্টোপাস ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ২২ হাজার ২০০ টনে নেমেছে। অর্থাৎ সব ধরনের মৎস্য আহরণ প্রবণতাই নিম্নমুখী। 

এছাড়া মিয়াগি ও আইচি অঞ্চলে মাছের পরিমাণ হ্রাসের কারণে সার্ডিন ৪ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৬ লাখ ১৩ হাজার ২০০ টন, ম্যাকেরেল ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৯০০ টনে দাঁড়িয়েছে। 

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ছাড়াও অতিরিক্ত মৎস্য আহরণ মাছের পরিমাণ হ্রাসের বড় কারণ হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জাপান সরকার মৎস্য আহরণসংক্রান্ত প্রবিধান শক্তিশালী করার জন্য কাজ করছে।