অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই) পিএলসির পরিচালক সুস্মিতা আনিস ১ লাখ ৬০ হাজার শেয়ার ক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে বিদ্যমান বাজারদরে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এ শেয়ার ক্রয় সম্পন্ন করবেন তিনি। ডিএসই সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এসিআইয়ের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮৭ কোটি ৮৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৮৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৮ কোটি ৭৮ লাখ ৩১ হাজার ৮৪৩। এর ৪৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৪ দশমিক ৫০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এসিআইয়ের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৪ টাকা ৮২ পয়সা।

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯৩ টাকা ২৪ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এসিআইয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৫ টাকা ৮৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯১ টাকা ৬৪ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ২০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে এসিআইয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৮ টাকা ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৪৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯১ টাকা ১৭ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এসিআইয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৪ টাকা ৯৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১৩ টাকা ৬৭ পয়সায়।

এসিআইয়ের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি টু’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।