চীনে চলতি ২০২৩-২৪ বিপণন বছরে চিনি উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় ৯ শতাংশ বাড়তে পারে। এ সময় উৎপাদন দাঁড়াতে পারে ৯৮ লাখ টনে। দেশটিতে আখ আবাদ বাড়ায় সম্প্রতি এ পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশন (এনডিআরসি)। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি ভোগ্যপণ্যটির চাহিদাও বাড়বে চীনে। তাই চলতি মৌসুমে চিনি আমদানির পরিমাণও ৫০ লাখ টন বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৩-২৪ বিপণন মৌসুমে মোট চিনির ব্যবহার দাঁড়াতে পারে ১ কোটি ৫৫ লাখ টনে।

এদিকে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্লাটস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৩-২৪ মৌসুমে তীব্র অস্থিরতার মুখে পড়তে পারে এশিয়ার চিনির বাজার। উৎপাদন ঘাটতির কারণে বাজারে সরবরাহ বাড়াতে হিমশিম খেতে পারে রফতানিকারক দেশগুলো। এর পেছনে দায়ী করা হচ্ছে বৈরী আবহাওয়াকে। এ সময় সম্ভাব্য সংকট এড়াতে ক্রেতা দেশগুলো আমদানির পরিমাণ অন্যান্য বছরের তুলনায় লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়াতে পারে। ফলে ভোগ্যপণ্যটির দাম বেড়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছার আশঙ্কা রয়েছে।

তথ্য বলছে, চলতি বছরের এপ্রিলে নিউইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জে (নিমেক্স) চিনির ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য বেড়ে এক যুগের সর্বোচ্চে পৌঁছায়। নভেম্বর পর্যন্ত দাম অব্যাহত বেড়ে পাউন্ডপ্রতি ২৮ সেন্টে উন্নীত হয়।