চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে সরকার কর্তৃক লিথিয়ামের রফতানি মূল্য নির্ধারণ করে দেয়াকে নেতিবাচকভাবে দেখছে আর্জেন্টিনার খনি কোম্পানিগুলো। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এ ব্যবস্থার ফলে লিথিয়াম রফতানি থেকে দেশটির মুনাফা অর্জন অনেকটা সীমিত হয়ে পড়বে। বর্তমানে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি নির্মাণে লিথিয়ামের উচ্চ চাহিদা পণ্যটির বাজারকে বেশ আকর্ষণীয় করে তুলেছে। খবর রয়টার্স।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, কানাডা ও থাইল্যান্ডে লিথিয়াম কার্বোনেট রফতানির ক্ষেত্রে প্রতি কেজি পণ্যের দাম ৫৩ ডলার নির্ধারণ করেছে আর্জেন্টিনার কাস্টমস এজেন্সি। বাজারে পণ্যটির বাণিজ্যের অনিয়ম দূর করতে এবং স্বচ্ছতা আনতে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
আর্জেন্টিনা’স চেম্বার অব মাইনিং অন্ট্রাপ্রেনিউর্স (সিএইএম) জানায়, এ ধরনের ব্যবস্থা কোম্পানিগুলোকে আর্জেন্টিনায় বিনিয়োগ করতে নিরুৎসাহিত করবে এবং আলোচনা চলমান থাকা অন্যান্য প্রকল্পের ওপর এটির নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সংগঠনটি জানায়, একটি দেশের জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা ও আইনি নিশ্চয়তার পাশাপাশি স্থিতিশীল কাঠামো বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। যার মাধ্যমে বিনিয়োগ পরিকল্পনা ও উৎপাদনশীলতার প্রকৃতিকে উৎসাহিত করে। আর্জেন্টিনার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশ বলিভিয়া ও চিলি সাধারণত ‘লিথিয়াম ট্রায়াঙ্গল’
নামে পরিচিত, যা বৈশ্বিক অঙ্গনে ধাতুটির সবচেয়ে বড় মজুদ হিসেবে গণ্য করা হয়।










