বছরের শুরু থেকেই ভিয়েতনামের কফি রফতানিতে মন্দা ভাব বজায় রয়েছে। ফলে এ খাতে দেশটির আয়ও কমেছে। এ ধারাবাহিকতায় নভেম্বরে দেশটি থেকে পানীয় পণ্যটির রফতানি আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১৩ শতাংশের বেশি কমেছে। এদিকে এ থেকে দেশটির আয় কমেছে ২০ শতাংশের বেশি। বিশ্লেষকরা বলছেন, কফিতে নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে বছর শেষ হবে ভিয়েতনামের। খবর ভিয়েতনাম প্লাস।
বৈশ্বিক কফি উৎপাদন ও রফতানিকারক দেশের তালিকায় ভিয়েতনামের অবস্থান দ্বিতীয় শীর্ষ। জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব ভিয়েতনাম কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশটি সব মিলিয়ে ১৪ লাখ ৭৩ হাজার টন কফি রফতানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ কম। এ থেকে দেশটি আয় করেছে ২৫৪ কোটি মার্কিন ডলার, আগের বছরের তুলনায় যা ২২ দশমিক ২ শতাংশ কম।
এর মধ্যে সর্বশেষ মাসে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে মোট ১ লাখ ২০ হাজার টন কফি রফতানি হয়েছে, যা থেকে আয় হয়েছে ২০ কোটি ৭০ লাখ ডলার। রফতানি ও আয় উভয় ক্ষেত্রেই প্রবৃদ্ধি কমেছে যথাক্রমে ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ ও ২০ দশমিক ৪ শতাংশ।
খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা বলছেন, এবার সামগ্রিকভাবে ভিয়েতনামের কফি রফতানি কমবে। বছর শেষে দেশটি থেকে পণ্যটির রফতানি দাঁড়াতে পারে সব মিলিয়ে ১৫ লাখ ৭০ হাজার টন, যা আগের বছরের তুলনায় ১৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ কম। একই সঙ্গে এ থেকে দেশটির আয় ২১ দশমিক ১৭ শতাংশ কমে ২৭০ কোটি ডলারে নামতে পারে।
এ বিষয়ে ভিয়েতনাম কফি-কোকো অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি দো হা ন্যাম জানান, কৃষিপণ্যটি রফতানি কমার পেছনে প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে দামে মন্দা। চলতি মাসে পণ্যটির দাম কিছুটা বাড়লেও এ নিয়ে দেশটির ব্যবসায়ীরা খুব একটা আশা দেখছেন না। কারণ ব্রাজিলসহ বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষ রফতানিকারক দেশে এবার পণ্যটির ভালো ফলন হয়েছে।









