চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে সাতক্ষীরার ভোমরা শুল্ক স্টেশনের জন্য ১ হাজার ১৩৭ কোটি ১৮ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। যা গত ২০২০-২১ অর্থবছরের তুলনায় ১৩৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা বেশি।

এদিকে ওই লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২৬ কোটি ৮ লাখ টাকা রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। তবে বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যে হেতু অর্থবছরের প্রথম মাস তার উপর বৈশিক মহামারী চলছে। যে কারনে প্রথম মাসে ঘাটতি পড়েছে। আশা করা হচ্ছে আগামীতে ব্যবসা বানিজ্য ভালো হলে রাজস্ব আদায়ও বাড়বে।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের জেষ্ট্য রাজস্ব আকবার আলী জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক (এনবিআর) চলতি ২০২১-২১ অর্থবছরে ভোমরা শুল্ক স্টেশনের জন্য ১ হাজার ১৩৭ কোটি ১৮ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করেছে। এরমধ্যে জুলাইয়ে ৭০ কোটি ৬০ লাখ, আগষ্টে ৭৩ কোটি ১৫ লাখ, সেপ্টেম্বরে ৬৪ কোটি ০৫ লাখ, অক্টবরে ৮৪ কোটি ০৫ লাখ, নভেম্বরে ১২৩ কোটি ২৫ লাখ, ডিসেম্বরে ১৩৫ কোটি, জানুয়ারীতে ১৩০ কোটি ০৫ লাখ, ফেব্রুয়ারীতে ১৫৩ কোটি ৬২ লাখ, মার্চে ১৪৩ কোটি ২১ লাখ, এপ্রিলে ৯৪ কোটি ৬৫ লাখ, মে মাসে ৩৫ কোটি ১০ লাখ এবং জুনে ৩০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। যা গেল ২০২০-২১ অর্থবছরের তুলনায় ১৩৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা বেশি। গত অর্থবছরে ভোমরা বন্দরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ছিলো ১ হাজার ৪ কোটি ৩ লাখ টাকা।

রাজস্ব আকবার আলী জানান, উল্লেখিত লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৪৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২৬ কোটি ৮ লাখ টাকার ঘাটতি।

ভোমরা বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ী এসোসিয়শনের সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি ২০২১-২২ অর্থবছর রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা অনেক বেড়েছে। তার পরও ব্যবসায়ীরা যদি চাহিদা মাফিক পন্য আমদানি করতে পারে তাহলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, এখানে পন্য আমদানিতে রয়েছে বৈষম্য। পুর্নাঙ্গ বন্দর হওয়ার পরও ব্যবসায়ীদের সবধরনের পন্য আমদানি করতে দেয়া হয় না।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের দায়িত্বে থাকা কাস্টমস বিভাগীয় সহকারী কমিশনার ​আমীর মামুন জানান, রাজস্ব আয় কম বেশি হয়ে থাকে মুলত বন্দরের মালামাল আমদানির উপর নির্ভর করে। তিনি বলেন, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছর রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। তবে আশা করা হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বন্দরের ব্যবসা বানিজ্য বাড়লে রাজস্ব আয়ও বেড়ে যাবে। তাড়াছা চলতি অর্থবছরের কেবল প্রথম মাস অতিবাহিত হয়েছে। সামনের অন্যান্য মাসে রাজস্ব আয় বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি