ভূপ্রকৃতি, আবহাওয়া ও জলবায়ুগত কারণে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের পাহাড়ে ভালো মানের জাফরান উৎপাদন হয়। দাম অত্যন্ত বেশি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এসব জাফরান পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে দেশটির সরকার। এরই মধ্যে জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন স্বীকৃতি (জিআই ট্যাগ) পেয়েছে কাশ্মীরের জাফরান। এখন রফতানির দুয়ার খুলেছে। এরই মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সুপার শপগুলোয় জায়গা করে নিয়েছে জিআই ট্যাগযুক্ত কাশ্মীরের এ মূল্যবান ফসল। খবর ফাইন্যান্সিয়াল ট্রিবিউন ও ইকোনমিক টাইমস।
বিশ্বের সবচেয়ে দামি মসলাগুলোর একটি জাফরান। রফতানি বাধা দূর করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে গত জুলাইয়ে জিআই ট্যাগ পায় কাশ্মীরের জাফরান। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউএই-ইন্ডিয়া ফুড সিকিউরিটি সামিটের মধ্য দিয়ে আমিরাতের বাজারে কাশ্মীরের জিআই ট্যাগযুক্ত জাফরান বিক্রির শুভারম্ভ করেন ভারতের এ রাজ্যের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (এগ্রিকালচার) নবীন কে চৌধুরি।
এ সময় তিনি বলেন, জাফরান জম্মু-কাশ্মীরের ঐতিহ্যের অংশ। জিআই ট্যাগ পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছল মূল্যবান এ পণ্য। এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীর তথা ভারতের রফতানি আয়ে নতুন মাত্রা যুক্ত করবে জাফরান।
ইরান-আফগানিস্তানে সবচেয়ে বেশি জাফরান উৎপাদন হয়। তবে উন্নত মানের হওয়ায় কাশ্মীরের জাফরানের দাম অন্যগুলোর তুলনায় বেশি। জিআই ট্যাগ পাওয়ার আগে কাশ্মীরে উৎপাদিত প্রতি কেজি জাফরান মানভেদে ১-৩ লাখ রুপিতে (ভারতীয় মুদ্রা) বিক্রি হতো। তবে করোনা মহামারীর কারণে জিআই ট্যাগ পাওয়ার পরও পণ্যটির দাম খুব একটা বাড়েনি।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ভারতের জম্মু-কাশ্মীর উপত্যকায় সব মিলিয়ে ৫ দশমিক ৬ টন জাফরান উৎপাদন হয়। ১৯৯৬ সালে এ অঞ্চলে ১৬ টন জাফরান উৎপাদন হয়েছিল।










