চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইউরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এর আগের তিন মাসের তুলনায় বেশি ছিল। সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) পরিসংখ্যান অফিসের এক বিবৃতিতে এ তথ্য উঠে আসে। বছরের শুরু থেকেই রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়। এ সত্ত্বেও ইউরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেশ ভালো ছিল। খবর রয়টার্স।

ইউরোস্ট্যাট জানায়, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ইউরো মুদ্রা ব্যবহার করা মোট ১৯টি দেশের দেশজ প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) আগের প্রান্তিকের তুলনায় দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। আগের বছরের তুলনায় জিডিপি বাড়ার হার ৫ দশমিক ৪ শতাংশ। এ প্রবৃদ্ধি মে মাসে ইউরোস্ট্যাটের পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। ওই মাসে ইউরোস্ট্যাটের পূর্বাভাস বলছিল, বছরের প্রথম তিন মাসে ইউরো অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি আগের প্রান্তিকের তুলনায় দশমিক ৩ শতাংশ হবে। আগের বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হবে ৫ দশমিক ১ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব দ্বিতীয় প্রান্তিকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত বছরের শেষ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ইউরো অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি শ্লথ ছিল। ওই প্রান্তিকে আগের প্রান্তিকের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ছিল দশমিক ২ শতাংশ। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এ হার ছিল ২ দশমিক ৩ শতাংশ।

এদিকে বছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্লেষকদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়েছে। এর কারণ হিসেবে রফতানি ও স্টকের ঊর্ধ্বমুখিতা অবদান রেখেছে। বিশেষ করে তুলনামূলক ক্ষুদ্র দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ভালো ছিল। আগের প্রান্তিকের তুলনায় এ বছরের প্রথম তিন মাসে আয়ারল্যান্ডের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০ দশমিক ৮ শতাংশ। বৃহৎ অর্থনীতিগুলোর মধ্যে জার্মানির ক্ষেত্রে এ হার ছিল দশমিক ২ শতাংশ, ইতালির ক্ষেত্রে দশমিক ১ শতাংশ।