চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে জিম্বাবুয়েতে প্লাটিনাম উত্তোলন ২ শতাংশ কমেছে। উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার আউন্সে। সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড প্লাটিনাম ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিল (ডব্লিউপিআইসি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

তথ্য বলছে, গত বছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশটি ১ লাখ ১৮ হাজার আউন্স প্লাটিনাম উত্তোলন করেছিল। এক বছরের ব্যবধানে প্রান্তিকভিত্তিক উত্তোলন তিন হাজার আউন্স কমেছে।

ডব্লিউপিআইসির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বার্ষিক উত্তোলনও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রাক্কলিত উত্তোলন ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৬৫ হাজার আউন্স, যা গত বছরের তুলনায় ৪ শতাংশ কম।

আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের দেশটিতে বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ প্লাটিনাম মজুদ (ভূগর্ভস্থ) রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা ও রাশিয়ার পরই দেশটির অবস্থান। ফলে দেশটিতে উত্তোলন কমে গেলে তা বৈশ্বিক উত্তোলন পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলবে। ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠবে দামও। এদিকে উত্তোলন বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করতে জিম্বাবুয়ে সরকার বেশকিছু উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম অপরিশোধিত প্লাটিনাম রফতানি শুল্ক হ্রাস।

ডব্লিউপিআইসির দেয়া তথ্য বলছে, রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালানোর পর অন্যান্য পণ্যের মতো বড় ধরনের ধাক্কা লাগে প্লাটিনামের বৈশ্বিক বাজারে। ফলে বছরের প্রথম প্রান্তিকে বৈশ্বিক পরিশোধিত প্লাটিনাম উৎপাদন ১৩ শতাংশ কমেছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৭৯ হাজার আউন্সে।