মূলত জাপানের বাজারে আধিপত্য বিস্তার করা চীনা ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিতেই এ বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে কোম্পানিটি। আগামী ২৩ মার্চ থেকে জাপানের বাজারে ‘আইকন ই’ নামের এ নতুন মডেল পাওয়া যাবে বলে সাম্প্রতিক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

হোন্ডার নতুন এ ই-বাইকের দাম ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪১৮ ডলার (২ লাখ ২০ হাজার ইয়েন)। বর্তমানে হোন্ডার বাজারে থাকা অন্যান্য ইলেকট্রিক মডেলের তুলনায় এ বাইকের দাম বেশ সাশ্রয়ী। জাপানি কোম্পানিগুলোর তৈরি অন্য যেকোনো ইলেকট্রিক, এমনকি গ্যাসোলিনচালিত মোটরসাইকেলের চেয়েও এটি বেশ সস্তা।

প্রযুক্তিগত দিক থেকেও বাইকটি বেশ আধুনিক। ‘আইকন ই’ মডেলটিতে হোন্ডার আগের ই-বাইকগুলোর তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি মাইলেজ পাওয়া যাবে। একবার চার্জ দিলে এটি টানা ৮১ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারবে। জাপানের রাস্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থার কথা মাথায় রেখে এটি ছোট ও সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য করে তৈরি করা হয়েছে। গ্রাহকদের সুবিধার জন্য এর ব্যাটারি বাইকে থাকা অবস্থায় যেমন চার্জ দেয়া যাবে, তেমনি খুলে আলাদাভাবেও চার্জ দেয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

হোন্ডার প্রধান প্রকৌশলী মাকোতো মিতসুকাওয়া জানান, মান ও দামের যে সমন্বয় আমরা অর্জন করেছি, তাতে জাপানের পাশাপাশি এশিয়ার অন্যান্য বাজারেও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এটি নিয়ে আসতে পারব। —নিক্কেই এশিয়া অবলম্বনে