সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে দেড় লাখ টনেরও বেশি পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।
আমদানীকৃত এসব পেঁয়াজের মূল্য ৪১৬ কোটি টাকা।
দেশীয় বাজারের ঊর্ধ্বমুখী চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে এ পরিমাণ পেঁয়াজ করা হয় বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
ভোমরা স্থলবন্দরের অন্যতম পেঁয়াজ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স গনি অ্যান্ড সন্সের ব্যবস্থাপক অশোক কুমার ঘোষ জানান, তার প্রতিষ্ঠান অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য হারে পেঁয়াজ আমদানি করে।
প্রতিদিন গড়ে ২৫-৩০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি করা হয়।
ভারতের মহারাষ্ট্র প্রদেশ থেকে নাসিক জাতের পেঁয়াজ নিয়ে আসে এ প্রতিষ্ঠান।
ভোমরা শুল্কস্টেশনের রাজস্ব শাখা জানায়, ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৫৬ টন।
এসব পেঁয়াজের মূল্য ৪১৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, মসলাজাতীয় পণ্যের মধ্যে পেঁয়াজ সবচেয়ে বেশি আমদানি হয় এ বন্দরে।
দেশের অন্যান্য বন্দরের তুলনায় ভোমরা বন্দরে পণ্যজট বা যানজট না থাকায় ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা এ বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানিতে বেশি আগ্রহী।
তাছাড়া ভোমরা বন্দর থেকে কলকাতার দূরত্বও কম।
ফলে ব্যবসায়ীদের সময় ও পরিবহন খরচ কম হয়।
ভোমরা শুল্কস্টেশনের দায়িত্বে থাকা কাস্টমসের বিভাগীয় সহকারী কমিশনার আমীর মামুন বণিক বার্তাকে বলেন, ভোমরা স্থলবন্দরে বছরে যে পরিমাণ কৃষিপণ্য আমদানি করা হয়, পেঁয়াজ তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
দেশীয় বাজারে বারো মাসই পণ্যটির চাহিদা থাকে।
ফলে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি করে।









