এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের উদ্যোক্তা, পরিচালক ও প্লেসমেন্টধারীদের ধারণকৃত শেয়ারের লক-ইনের মেয়াদ আরো তিন বছর বাড়িয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সংস্থার চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৯৯৯তম কমিশন সভায় গতকাল এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বিএসইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৯৫ কোটি টাকা উত্তোলন করে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ। প্রসপেক্টাস অনুযায়ী, এ অর্থ ব্যবসা সম্প্রসারণ (যন্ত্রপাতি ক্রয় ও স্থাপন), কারখানা ভবন নির্মাণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ ও ইস্যু ব্যবস্থাপনা খাতে ব্যয় করার কথা ছিল। তবে এখনো আইপিওর অর্থ ব্যবহার সম্পন্ন করতে পারেনি কোম্পানিটি।
এর মধ্যে ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটি ৩২ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণসংক্রান্ত একটি মূল্যসংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ করে, যা তাদের মূল ব্যবসার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। পাশাপাশি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনও নেয়া হয়নি। বিষয়টি পরিদর্শন ও তদন্ত করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) অসংগতি নিশ্চিত করে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়, কোম্পানিটির উদ্যোক্তা, পরিচালক ও প্লেসমেন্টধারীদের ধারণকৃত শেয়ারের লক-ইন তিন বছর বাড়ানো হবে। তবে ৩২ তলা ভবন নির্মাণ সম্পন্ন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার সময়সীমা যদি এর চেয়ে পরে হয়, সেক্ষেত্রেও লক-ইন কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ যে সময়সীমা পরে শেষ হবে, সেটিই প্রযোজ্য হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৬ মার্চ ডিএসইতে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের লেনদেন শুরু হয়। ওইদিন থেকে প্রসপেক্টাসে উল্লিখিত ১৮৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চেয়ারম্যান ও তিন পরিচালকের শেয়ারে তিন বছরের জন্য লক-ইন আরোপ করা হয়। পাশাপাশি তিন ব্যক্তি উদ্যোক্তা ও দুই প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোক্তার শেয়ারে একই মেয়াদে লক-ইন কার্যকর হয়। আর বাকি ১৭১ প্লেসমেন্টধারীর শেয়ারে দুই বছরের জন্য লক-ইন আরোপিত হয়।










