চুক্তির ফলে তিন বছরের জন্য এএসআর আল টেকনিয়া লিবিয়ায় ওয়ালটনের পণ্য বিক্রি, বিতরণ ও বিপণনের ক্ষেত্রে অনুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে কাজ করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এর আগে ক্যারিবিয়ান দেশ বার্বাডোজে নিবন্ধিত বার্গেইন ওয়্যারহাউজ ইনকরপোরেশনের সঙ্গে এমন চুক্তি করেছিল ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ। ছয় বছর মেয়াদি সেই চুক্তির আওতায় ওয়ালটনের ১৩টি পণ্য ১৬টি অঞ্চলে বিক্রি, বিতরণ ও বিপণনের জন্য বার্বাডোজের কোম্পানিটি অনুমোদিত ডিলার হিসেবে কাজ করবে। এর আগে শ্রীলংকা ও সিঙ্গাপুরের কোম্পানির সঙ্গেও একই ধরনের চুক্তি করেছিল ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ২৯ পয়সায়, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিলো ২০ টাকা ৯০ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৬৬ টাকা ৮০ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৭৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৪ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৪ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৯৯ টাকা ৭৪ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৩৫০ শতাংশ ও উদ্যোক্তা পরিচালকদের ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ওয়ালটন হাই-টেকের ইপিএস হয়েছে ৪৪ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৫ টাকা ৮৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭৯ টাকা ৩০ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ ও উদ্যোক্তা পরিচালকদের ৯০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ওয়ালটন হাই-টেকের ইপিএস হয়েছে ২৫ টাকা ৮৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪০ টাকা ১৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৪৩ টাকা ৭৩ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।










