অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে চলমান নারী বিশ্বকাপে অ্যাডিডাস ও নাইকির মতো বৈশ্বিক কোম্পানিগুলো ভোক্তাদের পছন্দ ও চাহিদার পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেদের দ্রুত মানিয়ে নিতে চেষ্টা করছে। ফিফা আশা করছে টাইম জোনের পার্থক্য সত্ত্বেও প্রায় ২ বিলিয়ন দর্শক দেখবে টুর্নামেন্টটি। অ্যাডিডাস ও নাইকি উভয়ই ডিকস স্পোর্টিং গুডসের মতো খুচরা বিক্রেতাদের পাশাপাশি ক্রীড়া পণ্যগুলোয় উল্লেখযোগ্যভাবে বিনিয়োগ করেছে। খবর রয়টার্স।
ইভেন্টির স্পনসরশিপ মূল্য আরো বেড়েছে, মনোযোগ দেয়া হয়েছে নারীর ক্ষমতায়নের প্রতিপাদ্যে। গ্লোবালডাটা অনুসারে, মোট স্পনসরশিপের মূল্য ২০১৯ সালে ৩৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে কমপক্ষে ৩৪ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
নাইকির মার্কেটিং অংশ হিসেবে মেগান রাপিনো, অ্যালেক্স মরগান ও গ্রেস গিয়োরোর মতো ক্রীড়া তারকাদের দিয়ে বিজ্ঞাপন করা হচ্ছে। এরই সঙ্গে উন্নত প্রতিযোগিতার মনোভাবের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। নাইকি ও অ্যাডিডাস উভয়ই পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। ২০১৯ সালের তুলনায় নাইকির নারী দলের পণ্য বিক্রয় কমেছে, অন্যদিকে অ্যাডিডাসের পণ্য বিক্রি বেড়েছে। চলতি নারী বিশ্বকাপে কোম্পানিগুলোকে আরো ক্রীড়া পণ্যগুলোর প্রচারে মনোনিবেশ করতে হবে।










