আফ্রিকার দেশ ঘানায় চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪১ টন কোকো উৎপাদন হয়েছে, যা এ মৌসুমে করা প্রাক্কলনের ৮৮ শতাংশ। অক্টোবরে শুরু হওয়া এ মৌসুমে দেশটিতে নয় লাখ টন কোকো উৎপাদনের প্রাক্কলন করা হয়েছিল। দেশটির অর্থমন্ত্রী কেন অফোরি আত্তা সংসদে বাজেট আলোচনায় এ তথ্য জানান। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

আইভরি কোস্টের পর ঘানা বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ কোকো উৎপাদনকারী দেশ। আর পণ্যটির রফতানিকারকদের বৈশ্বিক তালিকায় দেশটি শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। কোকোর বৈশ্বিক রফতানির ৩৯ শতাংশ ঘানা জোগান দেয়।

কিন্তু বর্তমানে দেশটির কোকো উৎপাদন খাত বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। দেশটির কোকো বাগানগুলোয় ক্ষতিকারক শোলেন সুট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। মারা যাচ্ছে কোকো গাছ। রোগে আক্রান্ত হওয়ায় দেশটিতে নতুন করে আবার চার লাখ হেক্টর জমিতে কোকো চারা রোপণ করতে হবে। এ অবস্থায় দেশটিতে কোকো উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এমন আশঙ্কার ফলে ২০১৯-২০ বিপণন মৌসুমে দেশটি থেকে পণ্যটির রফতানি কমে যাবে বলে জানিয়েছে ঘানার রাষ্ট্রায়ত্ত কোকো মার্কেটিং বোর্ড (সিএমসি)। উৎপাদন কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে পণ্যটির রফতানি ৫০ হাজার টন কমিয়ে আনা হবে বলেও জানিয়েছে সিএমসি।

দেশটির জিডিপির একটি বড় অংশ নির্ভর করে কোকো রফতানির ওপর। ফলে কোকো উৎপাদন ও রফতানি কমে যাওয়ার আশঙ্কায় দেশটির জিডিপির প্রাক্কলন ৭ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ দশমিক ১ শতাংশ করা হয়েছে।