সাক্ষাৎকালে গভর্নর দেশের বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতি ও পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশ—বিশেষত শুল্ক-পরবর্তী বিশ্বে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন। তিনি ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের রফতানি সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে বৈদেশিক মূলধন স্থানান্তর, পেমেন্টে বিলম্বসহ কিছু কার্যক্রমগত বিষয় উত্থাপন করেন জার্মান রাষ্ট্রদূত। এ পরিপ্রেক্ষিতে গভর্নর এসব বিষয়ে দ্রুত কার্যকর সমাধানের আশ্বাস দেন। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি, জিএসপি প্লাস সুবিধা ও এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাংলাদেশের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় হয়।

বাংলাদেশের শিল্প খাতে ব্যবহৃত জার্মান যন্ত্রপাতির উচ্চমানের প্রশংসা করেন গভর্নর। জবাবে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অর্থনীতির ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে জার্মানিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। জার্মানি ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আরো ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফরের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

সাক্ষাৎ শেষে গভর্নর রাষ্ট্রদূতকে তার সফরের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।