আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নির্ভরতার কারণে সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বেশির ভাগ সময় বৈশ্বিক বাণিজ্যিক অবস্থার প্রতিফলন ঘটায়। দেশটি দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, তবে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন সামনে আরো প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় (এমটিআই) চলতি বছরে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে দশমিক ৫ থেকে ১ দশমিক ৫ শতাংশে এনেছে। এমটিআই বলেছে, বিশ্বব্যাপী চাহিদা দুর্বল থাকতে পারে এবং ইলেকট্রনিকস খাতে মন্দা সম্ভবত বছরের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে।
চীন ও অন্যান্য বৈশ্বিক বাণিজ্যিক প্রবণতায় উন্নতি সত্ত্বেও ঝুঁকি এখনো অব্যাহত। যার মধ্যে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ব্যয়কে প্রভাবিত করতে পারে। এছাড়া প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে চলমান উত্তেজনা থেকে সম্ভাব্য সরবরাহ চেইনও ব্যাহত হতে পারে। মার্কিন অর্থনীতি, যা সিঙ্গাপুরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক বাজার, সেখানে উচ্চ সুদের হার ও মন্থর শ্রমবাজারের কারণে বাণিজ্য ধীরগতির হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউরোজোন ও চীনের প্রবৃদ্ধিও মন্থর হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। ছোট ও উন্মুক্ত অর্থনীতি হিসেবে সিঙ্গাপুর বেশির ভাগ সময় বাহ্যিক প্রভাবক দ্বারা প্রথমে প্রভাবিত হয়।
অফিশিয়াল ডাটা দেখাচ্ছে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা পূর্ববর্তী দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসের চেয়ে কিছুটা কম। এটি প্রথম প্রান্তিকে দশমিক ৪ শতাংশ সংকোচনের পরও মন্দা রোধ করতে সক্ষম হয়েছিল। দ্বিতীয় প্রান্তিকে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ছিল দশমিক ৫ শতাংশ, যা গত তিন মাসে দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে।










