ভারতে খাদ্যশস্যের মজুদ বেড়েছে। চলতি মৌসুমে ১ নভেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে খাদ্যশস্যের মজুদ ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৬ কোটি ৪ লাখ ৮০ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। ফুড করপোরেশন অব ইন্ডিয়ার (এফসিআই) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর কোজেন্সিস।
এফসিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময় চালের মজুদ গত বছরের তুলনায় ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২ কোটি ৩১ লাখ ১০ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। আর গমের মজুদ ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টনে।
ভারতে খাদ্যশস্যের সংগ্রহ মৌসুম অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে চলে পরের বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এফসিআইয়ের প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, চালের উল্লেখযোগ্য মজুদের মধ্যে ২০১৮-১৯ ফসল সংগ্রহ মৌসুম শেষ হয়। এ মৌসুমে ভারত সরকার সবমিলিয়ে ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৩০ হাজার টন খাদ্য ক্রয় করেছে। যেখানে এর আগের মৌসুমে সংগ্রহ ছিল ৩ কোটি ৮০ লাখ ৮০ হাজার টন। ফলে আগের মৌসুমের সঙ্গে নতুন মৌসুমের মজুদ শুরু হওয়ায় এ সময় চালের মজুদ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পয়েছে। এছাড়া এ সময়ে সেন্ট্রাল পুল থেকে বেসরকারি খাতের চালের সরবরাহ কমেছে। মজুদ বৃদ্ধিতে যা সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে।
এদিকে খাদ্যশস্যের মজুদ বৃদ্ধির সঙ্গে স্থান সংকটও বাড়ছে। খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাড়তি মজুদের ফলে স্থান সংকট প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে সরকার এখন মজুদ খাদ্যশস্য থেকে বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পে আরো বেশি পরিমাণ বণ্টন করে দেয়ার কথা ভাবছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত মজুদ থেকে ইথানল উৎপাদনের কথাও ভাবছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
অবশ্য স্থান সংকট মোকাবেলায় এফসিআই খোলাবাজারে চাল বিক্রি করতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে। বর্তমানে প্রতি ১০০ কেজি চাল বাজারে ২ হাজার ৭৮৫ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। এর বিপরীতে সেন্ট্রাল পুলের চাল ২ হাজার ২৫০ রুপিতে বিক্রির পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।









