যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কর্মসংস্থানের সংখ্যা বৃদ্ধিতে ধীরগতি অব্যাহত রয়েছে। সেপ্টেম্বরে টানা দ্বিতীয় মাসের মতো নতুন কর্মসংস্থানের সংখ্যা কমেছে। যদিও সার্বিকভাবে এটি এখনো দৃঢ় রয়ে গিয়েছে। সব মিলিয়ে এ চিত্র বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির শ্রমবাজার শীতল হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিবিসির খবর অনুসারে, মার্কিন নিয়োগকর্তারা সেপ্টেম্বরে ২ লাখ ৬৩ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। এ সংখ্যা ২০২১ সালের এপ্রিলের পর সবচেয়ে কম। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক যদি দ্রুত ক্রমবর্ধমান দামের লাগাম টানতে চায় তবে অর্থনীতিকে আরো ধীর করতে পদক্ষেপ নিতে হবে। এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর ডলার আরো শক্তিশালী হয়েছে। কারণ সুদের হার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের বিনিময় হার ১ দশমিক ১২ থেকে ১ দশমিক ১১-তে নেমে গিয়েছে।
চার দশকের সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগ্রাসীভাবে সুদের হার বাড়াচ্ছে। এ অবস্থায় দেশটির শ্রমবাজার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দেশটির কর্মকর্তারা মনে করছেন, উচ্চ সুদের হার বাড়ি ও গাড়ির মতো বড় আইটেমের চাহিদা কমিয়ে দেবে। ফলে কমে যাবে মূল্যস্ফীতির চাপও। তবে তারা সতর্ক করেছেন, অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ধীরগতির কারণে কিছু কর্মী চাকরি হারাতে পারেন। যদিও তারা গভীর অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন শ্রম বিভাগের এ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে চাকরির বাজার তুলনামূলকভাবে এখনো শক্ত অবস্থানে রয়েছে। কারণ চাহিদা অনুযায়ী পদগুলো ফাঁকা থাকায় অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়োগ চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
গত মাসে দেশটিতে বেকারত্বের হার ৩ দশমিক ৫ শতাংশে নেমেছে। আগস্টেও এ হার ৩ দশমিক ৭ শতাংশে ছিল। ঘণ্টাপ্রতি মজুরির গড়ও এক বছর আগের তুলনায় ৫ শতাংশ বেড়েছে।










