পুঁজিবাজার তালািকাভুক্ত সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সংগৃহীত তহবিল ব্যবহারের জন্য আগামী বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে। গতকাল অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেয়া হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে।

তথ্য অনুসারে, বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতি, রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ ও ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন সংক্রান্ত কারণে কোম্পানিটি নির্ধারিত সময়ে তাদের প্রয়োজনীয় সব যন্ত্র ও সরঞ্জাম আমদানি করতে পারেনি। এজন্য কোম্পানিটি তাদের সংগৃহীত আইপিও তহবিল ব্যবহারের জন্য সময় বাড়িয়েছে।

২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিলভা ফার্মার অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১৩৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৯০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩ কোটি ৬৫ লাখ। এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৩ দশমিক ৯৭, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৯ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৯ পয়সা। এ বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ২২ পয়সায়।

 সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা-পরিচালক বাদে শেয়ারহোল্ডারদের (আইসিবি বাদে) জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালসের পর্ষদ। গতকাল অনুষ্ঠিত এজিএমে অন্যান্য এজেন্ডার পাশাপাশি এ লভ্যাংশে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেয়া হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল ১ ডিসেম্বর। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭৫ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ১৮ পয়সা। এ বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৩ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৬ টাকা ৬৩ পয়সায়।