বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বামা) এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এগ্রো প্রডাক্ট বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের (এপিবিপিসি) যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার নগরীর একটি কনভেনশন সেন্টারে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ‘ভেজাল ও নিম্নমানের বালাইনাশক প্রতিরোধে কার্যকর আইন প্রয়োগ জোরদারকরণ’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণে বরিশাল অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা-উপজেলার প্রায় ৬০ জন বালাইনাশক পরিবেশক অংশ নেন। বামার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বলা হয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে আয়োজিত এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল কৃষকের ফসল সুরক্ষায় মানসম্মত বালাইনাশকের ব্যবহার নিশ্চিত করা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ও কৃষিবিদ মোছাম্মৎ মরিয়ম। তিনি বলেন, ‘কৃষি ফসল উৎপাদনের একটি অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ বালাইনাশক। বামার সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো দেশেই সফলভাবে উন্নতমানের বালাইনাশক উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।’
এ সময় তিনি পরিবেশকদের সতর্ক করে বলেন, ‘আপনাদের মাধ্যমে যেন কোনোভাবেই ভেজাল বা মানহীন বালাইনাশক কৃষকের হাতে না পৌঁছায়।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল উইংয়ের উপপরিচালক কাজী মোহাম্মদ আনিসুর রহমান খান। এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক ও কৃষিবিদ মো. আল মামুন অর রশিদ এবং কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ মো. রাসেল মনির উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অটো ক্রপ কেয়ার, ন্যাশনাল এগ্রি কেয়ার, এসিআই এবং বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ইন্ডাস্ট্রিজসহ মোট ২০টি সদস্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
প্রশিক্ষণ সেশনে কীভাবে নকল ও ভেজাল কীটনাশক চেনা যায় এবং তা প্রতিরোধ করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও মতবিনিময় হয়। অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে বামার সভাপতি কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ফসল সুরক্ষা এবং দেশের পরিবেশের স্বার্থে মানহীন বালাইনাশক বর্জনের আহ্বান জানান এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন।










