২০২২ সালে চীনের প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে ডিজিটাল অর্থনীতি। চীনের বিশাল বাজার, প্রচুর ডাটা সম্পদ ও সমৃদ্ধ অ্যাপ্লিকেশনের জন্য দেশটিতে ডিজিটাল অর্থনীতি সম্প্রসারণে ভূমিকা রেখেছে। খবর সাউথ চায়না মরনিং পোস্ট।
জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (এনবিএস) জানিয়েছে, চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন গতিশক্তি সূচক ২০২২ সালে ৭৬৬ দশমিক ৮-এ দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছর থেকে ২৮ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা, ইন্টারনেট ট্র্যাফিকের পরিমাণ ও ই-কমার্স লেনদেন ২০২১ সালের তুলনায় বেড়েছে। চায়না একাডেমি অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি কর্তৃক গত এপ্রিলে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের ডিজিটাল অর্থনীতির মূল্য গত বছর ৫০ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে পৌঁছেছে, যা জাতীয় অর্থনীতির ৪১ দশমিক ৫ শতাংশ। এটি বিশ্বব্যাপী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরে দ্বিতীয় অবস্থান।
২০২২ সালের শেষ পর্যন্ত, চীনে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৪৬ কোটিতে পৌঁছেছে, যা ২০২১ থেকে ৩ শতাংশ বেশি। এনবিএসের তথ্যানুসারে, মোবাইল ইন্টারনেট অ্যাক্সেস ট্র্যাফিক বছরে ১৮ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ২৬ হাজার ১৭৬ কোটি গিগাবাইটে পৌঁছেছে। ২০২২ সালে চীনের ইকমার্স প্লাটফর্মগুলোর জন্য লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৩ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে, যা বার্ষিক ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রতিনিধিত্ব করে। ঐতিহ্যগত অফলাইন খরচের ৮০ দশমিক ৭ শতাংশ এখন সম্ভাব্যভাবে অনলাইন কেনাকাটা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হতে পারে।
চীনের মহামারী-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগের কথা বার বার জানিয়েছে বেইজিং। রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বলেছেন, ‘উচ্চমানের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে আমরা ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্তিশালী, কার্যকর ও সম্প্রসারণ করব।’ অনেক আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক এরই মধ্যে ২০২৩-এর জন্য তাদের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে এনেছে।










