করোনা মহামারীর মধ্যে পেরুতে তামা উত্তোলনে মন্দা ভাবের দেখা মিলেছে। বিদায়ী বছরে দেশটিতে ব্যবহারিক ধাতুটির সম্মিলিত উত্তোলন আগের বছরের তুলনায় সাড়ে ১২ শতাংশ কমেছে। পেরুর জ্বালানি ও খনিজ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর রয়টার্স।
তামা উত্তোলনকারী ও রফতানিকারক দেশগুলোর বৈশ্বিক শীর্ষ তালিকায় পেরুর অবস্থান দ্বিতীয়। ব্যবহারিক ধাতুটির বৈশ্বিক রফতানি বাণিজ্যের ২০ দশমিক ৫ শতাংশ দেশটি এককভাবে জোগান দেয়। পেরুর সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে দেশটিতে সব মিলিয়ে ২১ লাখ ৫০ হাজার টন তামা উত্তোলন হয়েছে। আগের বছরের তুলনায় এ সময় দেশটিতে ব্যবহারিক ধাতুটির উত্তোলন কমেছে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা মহামারীর কারণে গত বছর লকডাউনে অনেক খনির কার্যক্রম সীমিত হয়ে এসেছিল। দেখা দিয়েছিল শ্রমিক সংকট। মূলত এসব কারণে বিদায়ী বছরে পেরুতে তামা উত্তোলন আগের তুলনায় কমে এসেছে।
এদিকে ২০২০ সালে পেরুতে সব মিলিয়ে ৮ কোটি ৭৩ লাখ গ্রাম স্বর্ণ উত্তোলন হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে দেশটিতে মূল্যবান ধাতুটির উত্তোলন কমেছে ৩২ শতাংশ। করোনা মহামারীর কারণে শ্রমিক সংকট থেকে এ সময় পেরুতে স্বর্ণ উত্তোলন কমে এসেছে। একই সময়ে দেশটিতে দস্তা উত্তোলন আগের বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১৩ লাখ ৩০ হাজার টনে নেমে এসেছে।










