এবার ভারতীয় চায়ের গড় দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ১১ মাসে (জানুয়ারি-নভেম্বর) দেশটিতে অনুষ্ঠিত নিলামে পানীয় পণ্যটির গড় দাম আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়েছে। খবর ইকোনমিক টাইমস।
জানুয়ারি-নভেম্বর সময়ে ভারতীয় চায়ের গড় নিলাম মূল্য দাঁড়িয়েছে কেজিপ্রতি ১৪১ দশমিক ১৭ রুপি (স্থানীয় মুদ্রা)। আগের বছরে এ সময়ের মধ্যে একই পরিমাণ চায়ের গড় নিলাম মূল্য ছিল ১৩৭ দশমিক ৮৯ রুপি। সে হিসাবে এবার পণ্যটির দাম বেড়েছে কেজিতে গড়ে ৩ দশমিক ২৮ রুপি।
কলকাতা টি ট্রেডারস অ্যাসোসিয়েশনের একজন জ্যেষ্ঠ কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেন, বাজারে চাহিদার তুলনায় চায়ের সরবরাহ বেশি রয়েছে। এতে পণ্যটির দামে মন্দা বজায় রয়েছে। তবে সিটিসি ক্যাটাগরির (ব্লাক টি প্রক্রিয়াকরণের একটি পদ্ধতি) চায়ের দাম বাড়ায় সামগ্রিকভাবে পণ্যটির দাম বাড়তির দিকে রয়েছে।
একজন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী বলেন, চলতি বছরে ভারতে চায়ের উৎপাদন ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ কমেছে। তবে এটি পণ্যটির দাম বাড়াতে কোনো সহায়তা করেনি।
এ বছরের প্রথম ১০ মাসে (জানুয়ারি-অক্টোবর) ভারতের বাগানগুলোতে সব মিলিয়ে ১১৬ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়েছে। আগের বছরের একই সময় উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১১৮ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার কেজি। সে হিসাবে এবার বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ উৎপাদনকারী দেশটিতে চায়ের উৎপাদন কমেছে ২ কোটি ১২ লাখ ৬০ হাজার কেজি।
এদিকে এবার দেশটি থেকে চায়ের রফতানিও কমেছে। তবে এ সময় দেশটির রফতানিকারকরা আগের বছরের তুলনায় ৯ শতাংশ বেশি দাম পেয়েছেন। প্রথম ১০ মাসে দেশটি মোট ২০ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার কেজি চা রফতানি করেছে। আগের বছরের একই সময় এর পরিমাণ ছিল ২০ কোটি ৮৩ লাখ ৬০ হাজার কেজি। এদিকে রফতানি কমা সত্ত্বেও ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজি চা রফতানি বাবদ গড় দাম পেয়েছে ২২৬ দশমিক ৮৫ রুপি। আগের বছরের একই সময় এর পরিমাণ ছিল ২০৫ দশমিক ৪৭ রুপি।









