সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পর্ষদ সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্ত জানতে একটি বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
পাঁচ বছর মেয়াদি এসব বন্ডের ২৫ শতাংশ অবসায়নযোগ্য বন্ড এবং ৭৫ শতাংশ রূপান্তরযোগ্য বন্ড রয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেডকে ইস্যু ম্যানেজার এবং অ্যারেঞ্জার হিসেবে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে। এ-সংক্রান্ত বিষয়টি অনুমোদনের জন্য আগামী ২৪ জুন বেলা ১১টায় একটি বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) টেকনো ড্রাগসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৩৩ পয়সা। ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (পুনর্মূল্যায়িত) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৩৮ পয়সায়।
চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই ২০২৫-মার্চ ২০২৬) টেকনো ড্রাগসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ১৮ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৪১ পয়সা।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে টেকনো ড্রাগসের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৫৮ পয়সায়।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে টেকনো ড্রাগসের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৫০ পয়সায়।
ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
২০২৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত টেকনো ড্রাগসের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৩১ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৭১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩ কোটি ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ১৮৮। এর ৬২ দশমিক ৭১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ২৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩১ দশমিক ৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










