কভিডের বিপর্যয় কাটিয়ে পুনরুদ্ধার হচ্ছে এভিয়েশন খাত। বিশ্বজুড়ে কভিডজনিত বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ায় বাড়ছে উড়োজাহাজ ভ্রমণের চাহিদা। এ অবস্থায় চলতি অর্থবছরের (এপ্রিল-মার্চ) জন্য আয়ের পূর্বাভাস বাড়িয়েছে এয়ার নিউজিল্যান্ড। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাড়ায় আয় বাড়বে বলে আশা করছে দেশটির রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থাটি। খবর রয়টার্স।

সম্প্রতি নিউজিল্যান্ড জানিয়েছে, জুলাইয়ের শেষ দিকে দেশটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত সম্পূর্ণরূপে চালু করবে। এর আগে ২০২১ সালের এপ্রিলে প্রথমবারের মতো প্রতিবেশী অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ফ্লাইট চালুর অনুমতি দিয়েছিল।

এয়ারলাইনসটি আশা করছে, করপূর্ব বার্ষিক লোকসান ৭৫ কোটি নিউজিল্যান্ড ডলারের (৪৭ কোটি ৮৭ লাখ) কম হবে। যেখানে ২০২১-২২ অর্থবছরে সংস্থাটি ৮০ কোটি নিউজিল্যান্ড ডলারের লোকসান গুনেছিল।

মে মাসে উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থাটি জানিয়েছিল, প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক লোকসান আশঙ্কার চেয়ে ভালো হতে পারে। কারণ স্বল্প দূরত্ব এবং আন্তর্জাতিক পরিষেবায় যাত্রী বুকিংয়ের সংখ্যা বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এয়ারলাইনসটির অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের চাহিদা উন্নত হয়েছে এবং ব্যবসা-সম্পর্কিত চাহিদা প্রায় প্রাক-কভিড স্তরের ৯০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।