কয়েক বছর আগে বড় পরিসরে কাজুবাদাম উৎপাদন শুরু করেছিল পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়া। তবে ২০১৭-১৮ মৌসুমে রেকর্ড করার পর থেকেই দেশটিতে কাজুবাদাম উৎপাদন কমছে। সেই ধারাবাহিকতা চলতি মৌসুমেও বজায় রয়েছে। এ মৌসুমে কাজুবাদাম উৎপাদন লক্ষ্যের তুলনায় ২০ শতাংশের বেশি কমবে বলে জানিয়েছে দেশটির কাজুবাদাম বোর্ড (সিবিটি)। খবর দ্য সিটিজেন।

২০২০-২১ মৌসুমে দেশটিতে কাজুবাদাম উৎপাদনের প্রাক্কলন ধরা হয়েছিল ২ লাখ ৭৮ হাজার টন। তবে বিরূপ আবহাওয়া ও ফসলে রোগের আক্রমণসহ বিভিন্ন কারণে দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন আশানুরূপ হবে না বলে জানিয়েছে সিবিটি।

প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ফ্রান্সিস আলফ্রেড বলেন, বিভিন্ন কারণে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৭৮ হাজার টনে পৌঁছানো সম্ভব হবে না। গত মৌসুমের ২ লাখ ৩২ হাজার ৬৮১ টনের তুলনায় চলতি মৌসুমে কাজুবাদাম উৎপাদন ৫৫ হাজার ৬০০ টনেরও বেশি কমবে। ২০১৮-১৯ মৌসুমে ২ লাখ ২৫ হাজার টনে নেমে আসার আগে ২০১৭-১৮ মৌসুমে দেশটিতে রেকর্ড ৩ লাখ ১৩ হাজার টন কাজুবাদাম উৎপাদন হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, গত ৩০ নভেম্বরের নিলামে ১ লাখ ৫৯ হাজার টন কাজুবাদাম বিক্রি হয়েছে। রফতানির অনুমতি অনুযায়ী গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত কমপক্ষে ১ লাখ ১৬ হাজার টন কাজুবাদাম ভারত, চীন ও ভিয়েতনামে রফতানি করা হয়েছে।

এদিকে আবার নিলাম শেষ হলেও কাজুবাদামচাষীদের অর্থ পাওয়া নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। মাটোয়ারা অঞ্চলের তানদাহিম্বা জেলার কৃষক সৈয়দ রশিদ বলেন, কাজু বাদামের ব্যবসা মৌসুম সত্ত্বেও অর্থ পেতে বিলম্ব জেলার কৃষকদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থ প্রদানের এ বিলম্বের কারণ আমরা জানি না। আমাদের অর্থ পেতে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অথচ পার্শ্ববর্তী নেয়ালা জেলার কৃষকরা নিলামের কয়েক দিনের মধ্যেই অর্থ পেয়ে যাচ্ছেন।