৪ সপ্তাহের এ শিক্ষাক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ১০৪ জন স্কুল ও কলেজপড়ুয়া তরুণীকে সনদ দেয়া হয়।

সম্প্রতি আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন শেভরন বাংলাদেশের অপারেশনস বিভাগের পরিচালক আশিক রহমান এবং কমিউনিটি পার্টনারশিপস বিভাগের প্রধান পরামর্শক ডি বোরবোঁ।

অনুষ্ঠানে এইউডব্লিউর সামার স্কুলের পরিচালক ড. মহিউদ্দিন আহসানুল কবির চৌধুরী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, ‘এ কর্মসূচি দেশের তরুণীদের জন্য সুযোগের আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে চলেছে।’

শেভরন বাংলাদেশের পক্ষে আশিক রহমান বলেন, ‘২০১৯ সাল থেকে ম্যাথ অ্যান্ড সায়েন্স সামার স্কুলকে সহযোগিতা করতে পেরে শেভরন গর্বিত।’ তিনি জানান এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে আরো বেশি তরুণীকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতভিত্তিক শিক্ষায় আগ্রহী করে তোলা এবং তাদের সম্ভাবনা বিকাশে উৎসাহিত করতে চান তারা।

অন্যদিকে ডি বোরবোঁ বলেন, ‘তরুণীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো, জ্ঞান সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ সৃষ্টি করে এমন একটি কর্মসূচিকে সহায়তা করতে পেরে আমরা গর্বিত।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. জিয়াউদ্দিন নারীর শিক্ষা এগিয়ে নেয়া এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতভিত্তিক (এসটিইএম) খাতে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে এইউডব্লিউ ও শেভরন বাংলাদেশের ধারাবাহিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। সামার স্কুলের মতো কর্মসূচি আগামী প্রজন্মের বিজ্ঞানী, উদ্ভাবক ও পরিবর্তনের অগ্রদূত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘ইমার্জিং ওম্যান লিডার ইন এসটিইএম’ শীর্ষক পুরস্কার প্রদান। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে অসাধারণ সাফল্য ও নেতৃত্বের সম্ভাবনার স্বীকৃতি হিসেবে নয়জন কৃতী অংশগ্রহণকারীকে এ সম্মাননা দেয়া হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ২০১৯ সালে যাত্রার পর শেভরন বাংলাদেশ-সমর্থিত এইউডব্লিউর সামার স্কুলে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৪৭৭ জন তরুণী গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ে বিশেষায়িত পাঠ গ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। দেশী ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞ শিক্ষকরা এসব কোর্স পরিচালনা করেন।