পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-ওয়ান’। সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত ব্যাংকের অন্যান্য প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ব্র্যাক ব্যাংকের পর্ষদ। এর মধ্যে সাড়ে ৭ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। এরই মধ্যে সাড়ে ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে বিতরণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সম্মতি পেয়েছে ব্যাংকটি। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ১৫ মে। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৬৫ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ৮৬ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৩৮ টাকা ২১ পয়সা। 

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডাদের মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। এর মধ্যে সাড়ে ৭ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ১৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৮ টাকা ২১ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৩৪ টাকা ৫৬ পয়সায়। 

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্যও মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্র্যাক ব্যাংক। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৯ হিসাব বছরেও ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি। এর মধ্যে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও বাকি ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আগের হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।