সপ্তাহ শেষে বন্ডটির প্রতি ইউনিটের দর ১ হাজার ৯৩৫ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ২ হাজার ৩৭৫ টাকা। এতে বন্ডটি গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর কমার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।

আশুগঞ্জ পাওয়ার বন্ডের ট্রাস্টি সর্বশেষ ২০২৫ সালের ৫ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ষষ্ঠ বছরের দ্বিতীয় অর্ধবার্ষিক মেয়াদের জন্য বার্ষিক সাড়ে ১০ শতাংশ কুপন রেট ঘোষণা করেছে। অর্ধবার্ষিক সময়ের জন্য বন্ডধারীরা ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ মুনাফা পাবেন। এরই মধ্যে বিনিয়োগকারীদের কাছে কুপনের টাকা পাঠিয়েছে বন্ডটি।

২০১৯ সালের নভেম্বরে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে সাত বছরের জন্য ১০০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করে এপিএসসিএল। পাশাপাশি আইপিওর বাইরে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে আরো ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে কোম্পানিটি। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থের মধ্যে ভূমি উন্নয়ন ও পূর্তকাজের জন্য ৪৬ কোটি ৮০ লাখ, প্রাথমিক জ্বালানি কেনায় ৩০ কোটি, যানবাহন ক্রয়ে ৩ কোটি ৬০ লাখ, প্রকৌশলী ও পরামর্শক সেবার জন্য ৪ কোটি ৪০ লাখ, চলতি মূলধন বাবদ ১০ কোটি ৯৯ লাখ এবং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) খরচ খাতে ৪ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয় করার পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যে বন্ডের অব্যবহৃত ৩ কোটি ৯১ লাখ ৬ হাজার ৭৮৫ টাকা চলতি মূলধন হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এপিএসসিএল।

১৮২ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের সুদহারের সঙ্গে ৪ শতাংশ মার্জিন যোগ করে এপিএসসিএল বন্ডের বার্ষিক কুপন সুদহার নির্ধারিত হবে। এর পরিমাণ হবে সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৫ শতাংশ ও সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। এ কুপন অর্ধবার্ষিক মেয়াদে প্রদেয়।