পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ থেকে তিন কোম্পানি তাদের মনোনীত সদস্যের পদ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। কোম্পানি তিনটি হলো আরমাদা স্পিনিং মিলস লিমিটেড, কিংসওয়ে এন্ডেভার্স লিমিটেড ও ইউনিগ্লোব বিজনেস রিসোর্স লিমিটেড। আরেক কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স লিমিটেড তালিকাভুক্ত কোম্পানিটিতে তাদের ধারণকৃত শেয়ারের বিপরীতে আহসানুল আলমকে মনোনয়ন দিয়েছে। এরই মধ্যে শেয়ারহোল্ডার পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত এ মনোনীত সদস্যকে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে গতকাল এ তথ্য জানিয়েছে ইসলামী ব্যাংক।
ব্যাংকটি জানিয়ছে, গত ৩০ জুন শেষে ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালকদের ধারণকৃত শেয়ারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এক মাস আগে অর্থাৎ মে মাস শেষে উদ্যোক্তা পরিচলকদের ধারণকৃত শেয়ারের পরিমাণ ছিল ৪১ দশমিক ৯০ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে ব্যাংকটিতে উদ্যোক্তা পরিচালকদের ধারণকৃত শেয়ারের পরিমাণ কমেছে ৯ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।
উল্লেখ্য, ইসলামী ব্যাংকের আগের পর্ষদে আরমাদা স্পিনিং মিলসের মনোনীত সদস্য প্রফেসর মো. নাজমুল হাসান চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আর কিংসওয়ে এন্ডেভার্স ও ইউনিগ্লোব বিজনেস রিসোর্সের মনোনীত দুই সদস্য যথাক্রমে প্রফেসর মো. সেলিম উদ্দিনও ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন ব্যাংকটির মনোনীত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়াহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) ঘোষিত এ লভ্যাংশে এরই মধ্যে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেয়া হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ২২ মে।
নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৬১৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৮০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির নিট মুনাফা বেড়েছে ১৩৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা বা ২৮ দশমিক ২৮ শতাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৮৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৯ পয়সা।










