চলতি বছরের জুলাইয়ে কমেছে ভিয়েতনামের কফি রফতানি। দেশটি বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ কফি রফতানিকারক। কিন্তু উৎপাদন ঘাটতি, জাহাজীকরণ ব্যয় ও নভেল করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রভাবে ধারাবাহিকভাবে কমছে দেশটির রফতানি। তবে কফি রফতানি কমলেও বেড়েছে চাল রফতানি। ভিয়েতনামের সরকারি শুল্ক বিভাগ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স ও এগ্রিকালচারডটকম।

গত জুলাইয়ে ভিয়েতনাম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১ লাখ ২২ হাজার ২০৩ টন কফি রফতানি করে। জুনের তুলনায় রফতানি ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। ভিয়েতনাম কাস্টমস এক বিবৃতিতে জানায়, এ বছরের প্রথম সাত মাসে দেশটির কফি রফতানি ৮ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। এ সময় সব মিলিয়ে ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৮৮৩ টন কফি রফতানি হয়। জানুয়ারি-জুলাই পর্যন্ত কফি রফতানি আয় এসেছে ১৭৮ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় পানীয় পণ্যটির রফতানি আয় দশমিক ১ শতাংশ কমেছে।

এদিকে গত জুলাইয়ে ভিয়েতনামের চাল রফতানি এর আগের মাসের তুলনায় ৬ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। এ সময় দেশটির ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯২ টন চাল রফতানি হয়। তবে বছরের প্রথম সাত মাসের হিসাবে চাল রফতানি কমেছে। এ সময় দেশটি ৩৫ লাখ টন চাল রফতানি করে। গত বছরের প্রথম সাত মাসের তুলনায় কৃষিপণ্যটির রফতানি ১২ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।