চলতি বছর ভিয়েতনামের চাল রফতানি কমে ৬৫-৭০ লাখ টনে নামতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বার্ষিক রফতানির পরিমাণ অর্ধেকে নামিয়ে আনার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই নিম্নমুখী চাপে পড়বে রফতানি। এমনটা জানিয়েছে দেশটির ফুড অ্যাসোসিয়েশন। ভিয়েতনাম ফুড অ্যাসোসিয়েশন সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানায়, গত বছর দেশটি চাল রফতানি করেছে ৮১ লাখ টন। সে হিসাবে চলতি বছর রফতানি ১১-১৬ লাখ টন কমতে পারে।
দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এ দেশ বৈশ্বিক চাল রফতানিতে তৃতীয় শীর্ষ অবস্থানে। ভারত ও থাইল্যান্ডের পরই দেশটির অবস্থান। দেশটি চাল রফতানি কমানোর পরিকল্পনা করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে চালের রফতানি অর্ধেক কমিয়ে ৪০ লাখ টনে আনবে বলে জানিয়েছে দেশটি। বর্তমানে রফতানির পরিমাণের বদলে গুণগত মান বৃদ্ধি এবং উচ্চমূল্যের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে ভিয়েতনাম। পাশাপাশি স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও রফতানি কমানোর পেছনে বড় কারণ।
চলতি সপ্তাহে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক চাল সম্মেলনে দেয়া তথ্যমতে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেড় মাসে ভিয়েতনাম বিশ্ববাজারে ৬ লাখ ৬৩ হাজার টন চাল রফতানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ।
প্রসঙ্গত, গত বছর দেশটি তিন দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ চাল রফতানি করেছে। বিশ্বজুড়ে শস্যটির ঊর্ধ্বমুখী চাহিদার কারণে রফতানিতে এমন প্রবৃদ্ধি এসেছে। তাছাড়া চাল রফতানিতে ভারতের বিধিনিষেধের কারণে সৃষ্ট সরবরাহ সংকটও রফতানি বাড়াতে বড় ভূমিকা পালন করেছে।










