চলতি দশকে চীনে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের ব্যবহার অব্যাহতভাবে বাড়বে। মূলত পেট্রোকেমিক্যাল খাতে শক্তিশালী চাহিদার কারণে জ্বালানি পণ্যটির ব্যবহারে ঊর্ধ্বমুখিতা দেখা দিয়েছে। চীনের ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (সিএনপিসি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

তথ্য বলছে, ২০৩০ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ৭৮ কোটি টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ব্যবহার করবে চীন। গত বছর প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছিল, ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর জ্বালানি পণ্যটির চাহিদা থাকবে ৭৩ কোটি টন।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে সিএনপিসি জানায়, ২০২৫ সালের মধ্যে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের পাশাপাশি ডিজেল, গ্যাসোলিন ও কেরোসিনের ব্যবহারও রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছতে পারে। প্রতি বছর এসব জ্বালানি পণ্য ব্যবহারের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৯ কোটি টনে।

তবে এক দশকে জীবাশ্ম জ্বালানিচালিত গাড়ির পরিবর্তে বৈদ্যুতিক গাড়ি অটোমোবাইলের বাজার দখল করে নিতে পারে। ফলে পরিবহন খাতে জ্বালানি পণ্যের ব্যবহার কমতে পারে। এটি সব ধরনের জ্বালানি পণ্যের চাহিদাকে নিম্নমুখী করে তুলতে পারে।

এদিকে কার্বন নিঃসরণ রোধের লক্ষ্য অর্জনে কয়লার ব্যবহার কমিয়ে আনার কথা ভাবছে চীন। যদিও দেশটি চলতি বছর বিদ্যুৎ ঘাটতি রোধে কয়লা উত্তোলন বাড়িয়েছে। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে জ্বালানি পণ্যটির ব্যবহার কমিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছে সিএনপিসি।