গতকাল অনুষ্ঠিত পর্ষদ সভায় সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের পাশাপাশি লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। পর্ষদ সভা শেষে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে এ-সংক্রান্ত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে পিপলস ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৮৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৯৫ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে এ বছরের ২৪ জুন বেলা সাড়ে ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২০ মে।

সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পিপলস ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৫৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৮১ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে পিপলস ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৫৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৬১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৯৭ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে পিপলস ইন্স্যুরেন্স। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৬১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৫৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৪৪ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে পিপলস ইন্স্যুরেন্স। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরে ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে ৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

১৯৯০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পিপলস ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৯৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৬২ লাখ। এর ৩৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৯ দশমিক ২২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৬ দশমিক ২৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।