আর্জেন্টিনায় ২০২৩-২৪ মৌসুমে গম উৎপাদন প্রত্যাশার চেয়ে বেড়েছে। খরার প্রভাব কমে মাটিতে আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়ায় এবার শস্যটির ফলন ভালো হয়েছে। গত বছরের তুলনায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে শস্যটির রফতানিও। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের (এফএএস) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এবার ১ কোটি ৫৪ লাখ টন গম উৎপাদন হয়েছে, ইউএসডিএর আনুষ্ঠানিক প্রাক্কলনের চেয়ে যা ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। জমি থেকে গম তোলার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।
এফএএস জানায়, ২০২২-২৩ মৌসুমে তীব্র খরার কারণে আর্জেন্টিনায় গ্রীষ্মকালীন গম উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। শীতকালীন উৎপাদনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় মাত্রাতিরিক্ত তুষারপাত। তবে এ মৌসুমে বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবমুক্ত ছিল শস্যটির উৎপাদন।
২০২২-২৩ মৌসুমে আর্জেন্টিনায় প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টন গম উৎপাদন হয়, যা ইউএসডিএর আনুষ্ঠানিক প্রাক্কলনের তুলনায় ৫ লাখ ৫০ হাজার টন কম। তবে অনেক ব্যবসায়ী এর চেয়েও অনেক কম উৎপাদন হয়েছে বলে মনে করছেন। গুণগত মান ভালো না হওয়ায় অনেক গম বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। এসব গম নতুন মৌসুমের ভালো মানের গমের সঙ্গে বিক্রি করা হবে।
ইউএসডিএ আরো জানায়, ২০২২-২৩ মৌসুমে আর্জেন্টিনার গম রফতানি কমে নয় বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। তবে এ বছর উৎপাদন ভালো হওয়ায় রফতানি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী, রফতানির পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ কোটি ২ লাখ টন।










