চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে থাইল্যান্ডের চাল রফতানি ২০ লাখ টন ছাড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি আয় ২৯ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৩ হাজার ৮১০ কোটি বাথে দাঁড়িয়েছে। খবর ব্যাংকক পোস্ট।
থাইল্যান্ডের বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক রোনালং ফুলপিপাত জানান, থাইল্যান্ডের চাল রফতানির পরিমাণ বছরওয়ারি ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ বা ৩ লাখ ২১ হাজার ৬২৫ টন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৬০ হাজার টন। গত প্রান্তিকে থাইল্যান্ডের চালের শীর্ষ আমদানিকারক দেশ ছিল ইরাক। থাইল্যান্ডের মোট রফতানীকৃত চালের ১৬ দশমিক ৪ শতাংশের ক্রেতা ছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। তার পরই রয়েছে ইন্দোনেশিয়া (১৩ দশমিক ১ শতাংশ), যুক্তরাষ্ট্র (৮ দশমিক ৬২ শতাংশ), দক্ষিণ আফ্রিকা (৮ দশমিক ২৪ শতাংশ) ও সেনেগাল (৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ)।
এশীয় ও আফ্রিকার দেশগুলোয় থাই চালের চাহিদা বৃদ্ধি দেশটির চাল রফতানি ২০ লাখ টন ছাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের বাণিজ্যমন্ত্রী জুরিন লাকসানাউইসিট জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে থাই ধানের চাহিদা বেশ চাঙ্গা। চলতি বছরে ৮০ লাখ টন চাল রফতানির আশাবাদ থাইল্যান্ডের।
গত বছর ৭৬ লাখ ৯০ হাজার টন চাল রফতানি করেছিল থাইল্যান্ড, যা দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ৭৫ লাখ টন রফতানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। ২০২২ সালে ভারতের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চাল রফতানিকারক দেশ ছিল থাইল্যান্ড।
গত বছর ভারতের চাল রফতানি হয়েছে ২ কোটি ১৯ লাখ টন। তৃতীয় সর্বোচ্চ চাল রফতানিকারক দেশ ইন্দোনেশিয়ার চাল রফতানি হয়েছে ৬৩ লাখ ১০ হাজার টন।










