প্রতিষ্ঠানটি চলতি বছরই নিজেদের প্রথম স্মার্টওয়াচ বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে দি ইনফরমেশন। ‘ম্যালিবু ২’ ছদ্মনামের এ প্রকল্পে মেটা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা মেটা এআই এবং উন্নত স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ ফিচার যুক্ত করছে বলে জানা গেছে।
দি ইনফরমেশনের ২০২১ সালে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, মেটা এমন একটি স্মার্টওয়াচ বানানোর পরিকল্পনা করছে, যা অ্যান্ড্রয়েডের ওপেন-সোর্স সংস্করণে চলবে। পরবর্তী বছরগুলোয় এ ডিভাইসের বেশকিছু সম্ভাব্য ফিচার সামনে আসে। সে সময়কার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘড়িটিতে একটি ডিটাচেবল ক্যামেরা থাকার কথা ছিল। তবে ২০২২ সালে অন্য পরিধানযোগ্য প্রযুক্তিতে বেশি গুরুত্ব দেয়ার লক্ষ্যে এ পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
মেটার ওয়্যারেবল পণ্যের তালিকায় এ মুহূর্তে রয়েছে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (ভিআর) হেডসেট ও স্মার্টগ্লাস। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে মেটা রে-ব্যান স্মার্টগ্লাস বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেটা এখন চারটি অগমেন্টেড রিয়ালিটি (এআর) ও মিক্সড রিয়ালিটি চশমা তৈরির কাজ করছে। তবে সেগুলো বাজারে আসতে এখনো সময় লাগবে। আগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ফিনিক্স’ কোডনামে পরিচিত মেটার পরবর্তী মিক্সড রিয়ালিটি হেডসেটটি উন্মোচনের সময় পিছিয়ে ২০২৭ সালের শুরুর দিকে নেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, স্মার্টফোন ও স্মার্ট ঘড়ির পর স্মার্ট চশমা উদ্ভাবনও এখন প্রযুক্তি খাতে প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসছে বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের।
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর ডিসপ্লেযুক্ত মেটার রে-ব্যান স্মার্ট চশমার উন্মোচন প্রযুক্তি দুনিয়ায় নতুন দৌড়ের সূচনা করেছে। এদিকে চশমা ব্র্যান্ড ওয়ারবি পার্কারের সঙ্গে অংশীদারত্ব করে আগামী বছর স্মার্ট চশমা উন্মোচনের পরিকল্পনা করছে গুগলও। পাশাপাশি স্ন্যাপ ২০২৬ সালে একটি অনুরূপ ডিভাইস বাজারে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং অ্যাপলও নিজস্ব হালকা হেডসেট নিয়ে কাজ করছে বলে খবর এসেছে।
আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা আইডিসির প্রাক্কলন অনুযায়ী, গত বছরের শেষে এআই/ভিআর হেডসেট এবং স্মার্ট চশমার বিক্রি বিশ্বব্যাপী প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারের এ প্রবৃদ্ধির মূল চালক মেটার রে-ব্যান স্মার্ট চশমা।










