যুক্তরাষ্ট্রে স্টারবাকসের ২০০ আউটলেটে গতকাল কর্মবিরতি পালন করেন কর্মীরা। বেতন নিয়ে কোম্পানি ও কর্মচারীদের মধ্যে দরকষাকষি চলছে। কোনো পক্ষ ছাড় না দেয়ায় শেষ পর্যন্ত সমঝোতা হয়নি।

স্টারবাকস ওয়ার্কার্স ইউনাইটেড ইউনিয়নের অন্যতম নেতা বারিস্তা মিশেল আইজেন বলেন, ‘‌সংস্থাটি কর্মীদের আরো ভালো বেতন দেয়ার"সামর্থ্য রাখে।’

গতকাল ছিল স্টারবাকসের ‘‌রেড কাপ’ দিবস। এদিন কোম্পানি পুনর্ব্যবহারযোগ্য লাল কাপ বিতরণ করে। এর সঙ্গে পণ্যে ছাড় ও আরো সুবিধা পাওয়ার বিষয় জড়িত। ফলে এ বিশেষ দিনে কর্মবিরতি পালন করায় কোম্পানির আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

যদিও কিছু জায়গায় কর্মবিরতি মাত্র কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। এর পরও দিনের বেশির ভাগ সময় দোকান বন্ধ থাকে।

বারিস্তা মিশেল আইজেন বলেন, ‘আশা করছি, আগামীতে আরো বেশি কর্মচারী ও সমাজকর্মী আমাদের কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। ‌আমাদের এ কর্মসূচি কফি ব্র্যান্ডটির জন্য একটি সতর্কবার্তা। কারণ কোম্পানি ভাবছে এর মাধ্যমে তাদের খ্যাতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

স্টারবাকসের যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রায় ১০ হাজার আউটলেট রয়েছে। ফলে কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ আন্দোলন তাদের জন্য বড় কোনো ঘটনা নয়। কোম্পানিটি সাম্প্রতিক বছরে উচ্চ মজুরি, প্রশিক্ষণ ও নতুন সরঞ্জামের জন্য লাখ লাখ ডলার ব্যয় করেছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে বলা হয়, স্টারবাকস আলোচনা করার জন্য ইউনিয়ন নেতাদের সঙ্গে বসতে প্রস্তুত রয়েছে।

ইউনিয়ন নেতারা দাবি করেন, আলোচনার টেবিলে বসানোর নামে আন্দোলন থামানোর চেষ্টা করছে কোম্পানি। শ্রমিক বরখাস্ত ও আউটলেট বন্ধ করে দেয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক আইন বিচারকরা দেখছেন যে কোম্পানিটি বারবার শ্রম আইন লঙ্ঘন করেছে। যদিও স্টারবাকস বার বার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

গত বছর সাবেক প্রধান হাওয়ার্ড শুল্টজকে ইউনিয়নের দাবির জবাব দিতে কংগ্রেসের সামনে হাজির হতে বাধ্য করা হয়েছিল।