চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান বেড়েছে প্রায় ৭ গুণ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৬৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৪ পয়সা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, ২০২৩ হিসাব বছরের ৩০ জুন শেষে বে লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ২৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১১ টাকা ৯৩ পয়সা।
এদিকে কোম্পানিটির পর্ষদ সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। আলোচ্য হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৮৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯৯ পয়সা। গত হিসাব বছরের ৩০ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯৩ পয়সায়। এদিকে কোম্পানিটির লভ্যাশ দেয়ার সিদ্ধান্ত ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে এ বছরের ৩০ নভেম্বর বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ অক্টোবর।
এর আগে ২০২১ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৯৯ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ১৪ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৮২ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৯ টাকা ৮০ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বে লিজিং। আগের হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের সর্বমোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এর মধ্যে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ২ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ছিল। ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বে লিজিং। ২০১৭ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশের পাশাপাশি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় তারা। তার আগে ২০১৬ ও ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা।
২০০৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বে লিজিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১৪০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভ ১১০ কোটি ১৬ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩০ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৩ দশমিক ২৬ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ২৩ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ২৫ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।










