প্রধান প্রধান
খাদ্যশস্যের উৎপাদন বাড়াতে সরকারের নানাবিধ উদ্যোগ, অনুকূল আবহাওয়া
ও সময়মতো আবাদসহ অনেক কারণে এ মৌসুমে পাকিস্তানে গমের বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা
করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। সব মিলিয়ে এ মৌসুমে দেশটিতে খাদ্যশস্যটির উৎপাদন দাঁড়াতে
পারে ২ কোটি ৭০ লাখ টনে। যেখানে গত মৌসুমে উৎপাদন ছিল ২ কোটি ৪৪ লাখ ৭০ হাজার টন।
খবর এপিপি।
জাতীয়
খাদ্যনিরাপত্তা ও গবেষণা মন্ত্রণালয়ের খাদ্যনিরাপত্তা বিষয়ক কমিশনার ড. ইমতিয়াজ আহমেদ গোপাং জানান, প্রতি বছর আখ ও
তুলার মতো প্রধান অর্থকারী ফসল তুলতে বেশ দেরি হয়। এতে গম বীজ বপন প্রক্রিয়া
কিছুটা বিলম্বিত হয়। কিন্তু এ বছর সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে সময়মতো আখ উঠিয়ে
মাড়াই শুরু করা হয়েছে। নভেম্বরের শেষ দিক থেকে সিন্ধুর ১২টি সুগার মিলে এবং
পাঞ্জাবের চারটি সুগার মিলে আখ মাড়াই শুরু হয়েছে। এতে ঠিক সময়ে এবার গম বপন করা
সম্ভব হয়েছে। ফলে এবার বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা করছে দেশটি।
গমের আবাদ বিষয়ে
তিনি জানান, এ বছর দেশটিতে কীটপতঙ্গের উৎপাতের ফলে তুলা উৎপাদন
ব্যাহত হয়েছে। যে কারণে তুলার ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে এবার কৃষকরা বেশি করে গম বপন
করেছেন।
এছাড়া এবার
সময়মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় গম বপনে বাড়তি সুবিধা পেয়েছেন কৃষকরা। বিশেষ করে দেশটির
প্রধান প্রধান গম উৎপাদন অঞ্চলে এ মৌসুমে ভালো বৃষ্টিপাত হয়েছে।
কমিশনের দেয়া
তথ্য অনুযায়ী, এ বছর এরই মধ্যে সিন্ধু ও বেলুচিস্তান প্রদেশে
গমের আবাদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে
আবাদের তথ্য কয়েক দিনের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে। এর মধ্যে সিন্ধু প্রদেশে চলতি মাসে
শুরু করা এ মৌসুমের গমের বপন ৫১ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে। যেখানে গত বছরের একই
সময় আবাদ হয়েছিল মাত্র ৩৬ শতাংশ। প্রদেশটিতে এ বছর ১১ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর গম
আবাদের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ৮৩ হাজার ৮৬৩ হেক্টর গমের বপন সম্পন্ন
হয়েছে।









