সংকটের বছর শেষে চিনি শিল্পের জন্য ২০২১ সালকে একটি উজ্জ্বল সম্ভাবনার ক্ষণ হিসেবে দেখছে ভিয়েতনাম। চোরাচালান বন্ধ করা এবং থাইল্যান্ড থেকে চিনি আমদানিতে শুল্কারোপের উদ্যোগ স্থানীয় শিল্পের সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। খবর ভিয়েতনাম নেট।

ব্যবসা-বাণিজ্যসংক্রান্ত সংস্থা সার্ভে স্যাম্পলিং ইন্টারন্যাশনালের (এসএসআই) এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, কভিড-১৯ মহামারীর প্রভাবে ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কমে দাঁড়ায় ভিয়েতনামের চিনির দাম। তবে ২০২০ সাল থেকে খুব দ্রুতই চিনির দাম আগের অবস্থায় ফিরতে শুরু করে। ২০১৯ সালের তুলনায় চিনির দাম বাড়ে ৯ দশমিক ৬ শতাংশ। ব্যবসায়ীদের মতে, গত দুই বছরে বশ্বে ৫০ লাখ টন চিনির ঘাটতি দেখা দেয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২০ সালে ভিয়েতনামের চিনির দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে থাইল্যান্ডের চিনি ঢোকা শুরু করে দেশটিতে, যা স্থানীয় চিনি শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সেটি রুখতে ১২০ দিনের জন্য আমদানিতে শুল্কারোপ করে ভিয়েতনাম সরকার।

ভিয়েতনামের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, দেশীয় চিনি শিল্পের ওপর থেকে প্রভাব দূর করতে পরিশোধিত চিনির ওপর ৪৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। আর অপরিশোধিত চিনিতে ৩৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ শুল্কারোপ করা হয়েছে।

এসএসআই বলছে, ২০২০ সালের শেষ দিকে কম দামি থাইল্যান্ডের চিনি ভিয়েতনামে আসতে শুরু করলে স্থানীয় বাজারে এর প্রতিযোগিতা বাড়ে। ফলে থাইল্যান্ডের চিনির ওপর এ শুল্কারোপ করে ভিয়েতনাম সরকার। সরকারের এমন উদ্যোগ ২০২১ সালে চিনি শিল্পে সমৃদ্ধি ফিরে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।