শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে গত বছর
জিম্বাবুয়েতে খাদ্যশস্য উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। চলতি বছরও একই সমস্যায় উৎপাদন ব্যাহত
হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় দেশটির প্রায় অর্ধেক নাগরিক খাদ্য সংকটের
মুখোমুখি। সংকট মোকাবেলায় আফ্রিকার দেশটি এখন মেক্সিকো, ইউক্রেন
ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভুট্টা আমদানির পরিকল্পনা করছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট এমারসন
এমনাংগাগোয়া সম্প্রতি ভুট্টা আমদানির এ ঘোষণা দিয়েছেন। খবর ব্লুমবার্গ।
জিম্বাবুয়ের বর্তমান সংকটপূর্ণ
পরিস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট এমনাংগাগোয়া বলেন, আমরা
এখন কঠিন সময়ে আছি। এ অবস্থায় ভোক্তা পর্যায়ে ভোজ্যতেল, লবণ, বিস্কুট
ও সাবানে ভর্তুকি দেয়ার পরিকল্পনা করছে শিল্প মন্ত্রণালয়। এছাড়া প্রধান খাদ্য
কর্নমিলের দাম বেশি রাখায় খুচরা ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স প্রত্যাহার করে নেয়া হবে
বলেও জানান তিনি।
জিম্বাবুয়ে প্রতি বছর খাদ্য ও পশু
খাদ্য হিসেবে প্রায় ২২ লাখ টন ভুট্টা ব্যবহার করে। তবে গত বছর দেশটিতে খরা কারণে
খাদ্যশস্যটির উৎপাদন ব্যাহত হয়। ইউএসএআইডির অর্থায়নে পরিচালিত ফিউসনেট নামের একটি
সংস্থা ডিসেম্বরে জানিয়েছে,
গত বছরের মতো চলতি বছরেও জিম্বাবুয়েকে খরার
সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে। সেটি হলে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশটিতে
খাদ্য সংকট দেখা দেবে। ফলে আনুষ্ঠানিক কাজের বাইরে থাকা দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ
মানুষকে খাদ্য সংকটে পড়তে হবে। যার অধিকাংশই দরিদ্র।
এদিকে খাদ্য সংকটে থাকা দেশটিতে
সহায়তায় এখন এগিয়ে আসছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিও। জাতিসংঘের সংস্থাটি গত ডিসেম্বরের
শেষ দিকে দেশটির ৮০ লাখ নাগরিককে খাদ্য সহায়তা দেয়ার কথা জানিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও সংস্থাকে নগদ অর্থ প্রদানের জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান
জানিয়েছে সংস্থাটি।









